মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ পাঠ করতে আল বাইয়্যিনাত শরীফ কিতাব উনার উপর ক্লিক করুন

  • ফন্ট সাইজ বড় করতে নিচে + চিহ্ন তে ক্লিক করুন
  • ফন্ট সাইজ ছোট করতে নিচে - চিহ্ন তে ক্লিক করুন
  • পরিপূর্ণ স্কিন এ পড়তে - চিহ্নের ডান পাশে Full screen বাটনে ক্লিক করুন
  • পরিপূর্ণ স্কিন বন্ধ করতে - চিহ্নের ডান পাশে Full screen বাটনে ক্লিক করুন

  • ফন্ট সাইজ বড় করতে নিচে + চিহ্ন তে ক্লিক করুন
  • ফন্ট সাইজ ছোট করতে নিচে - চিহ্ন তে ক্লিক করুন
  • পরিপূর্ণ স্কিন এ পড়তে - চিহ্নের ডান পাশে Full screen বাটনে ক্লিক করুন
  • পরিপূর্ণ স্কিন বন্ধ করতে - চিহ্নের ডান পাশে Full screen বাটনে ক্লিক করুন

  • ফন্ট সাইজ বড় করতে নিচে + চিহ্ন তে ক্লিক করুন
  • ফন্ট সাইজ ছোট করতে নিচে - চিহ্ন তে ক্লিক করুন
  • পরিপূর্ণ স্কিন এ পড়তে - চিহ্নের ডান পাশে Full screen বাটনে ক্লিক করুন
  • পরিপূর্ণ স্কিন বন্ধ করতে - চিহ্নের ডান পাশে Full screen বাটনে ক্লিক করুন

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে

রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ গবেষণা কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ফতওয়া সমূহ

মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ গবেষণা কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ফতওয়া সমূহ

আল বাইয়্যিনাত শরীফ মুফতী মাওলানাদের জ্ঞানকে পূর্ণ ও সমৃদ্ধ করে দিচ্ছে :

আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মধ্যে যে ব্যাপক দলীল দেয়া হয় তা সাধারণভাবে কোন ব্যক্তি তো নয়ই, এমনকি কোন মাদরাসা বা অপর কোন বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের জন্যও সংগ্রহ করা সত্যিই দুস্কর। কারণ মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার এই দুর্লভ সংগ্রহশালা গড়ে উঠেছে উনার প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয যামান, আওলাদুর রসূল, আহলু বাইতে রসূল ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল প্রজ্ঞা, প্রচেষ্টা তথা উনার অব্যক্ত রূহানিয়তের সমৃদ্ধি বলে। যা আর কারো পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়।

আল বাইয়্যিনাত শরীফ সাধারণ মানুষকে দলীল শব্দের সাথে সম্পৃক্ত করেছে, তাদের দলীল চাওয়ার অধিকার সম্পর্কে সচেতন করেছে :

এতদিন ছিল যখন দলীল চাওয়া-পাওয়া এবং বর্ণনা করা যেন কেবল কথিত আলিম-উলামাদের ব্যাপার ছিল; কিন্তু মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ সে কায়েমী ধারণার ভিত্তিমূলে আঘাত হেনেছে। আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার উছীলায় এখন তারা জেনেছে যে, মুসলমানদের অবস্থা দুটি। এক. যদি তারা না জানে তবে জিজ্ঞেস করা তাদের ন্যায্য অধিকার। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ



অর্থ: তোমরা যারা জাননা, যারা আহলে যিকির বা আল্লাহওয়ালা উনাদের কাছে জিজ্ঞেস করে জেনে নাও। (সূরা নহল: আয়াত শরীফ ৪৩, সূরা আম্বিয়া: আয়াত শরীফ ০৭)

মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার সুওয়াল-জাওয়াব, ফতওয়া ইত্যাদি পড়ে সাধারণ মানুষ এখন “এত প্রশ্ন করতে হয়না, এত দলীল জিজ্ঞেস করতে হয়না। ” উলামায়ে “সূ”দের দাবিয়ে রাখার এই ভয়-ভীতিকে উপেক্ষা করতে শিখেছে। তাদের বিশ্বাস জন্মেছে যে, জানতে চাওয়া তাদের ঈমানের অধিকার, আর সে অধিকার বলে শুধু জিজ্ঞাসা করাই নয় বরং জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে জবাবের দলীল জানতে চাওয়াও তাদের আরো ন্যায্য অধিকার। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

هَاتُوا بُرْ‌هَانَكُمْ اِنْ كُنتُمْ صَادِقِيْنَ

অর্থ : তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাক তবে দলীলসমূহ পেশ করো। ” (সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ১১১, সূরা নমল: আয়াত শরীফ ৬৪)


সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে

রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা বুলন্দির কোনো সীমা নির্ধারণ করেননি। কাজেই কোন মাখলূকাতের জন্যই সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা মর্তবার সীমা নির্ধারণ করা তো জায়িয হবেই না। বরং মর্যাদা-মর্তবার সীমা নির্ধারণের চিন্তা করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্থান। এক কথায় তিনি শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা ও মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বীয় হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বে, উনার মহান রুবুবিয়্যত প্রকাশের জন্য সৃষ্টি করে উনার মহান কুদরতের মধ্যে রাখেন। অতঃপর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কপাল মুবারক-এ করে বছর বছর জান্নাতের মধ্যে রাখেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করলে আবাদুল আবাদ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দিতে পারতেন অথবা জান্নাতের মধ্যেও রেখে দিতে পারতেন। আরহামুর রাহিমীন মহান রব্বুল আলামীন অত্যন্ত দয়া করে, ইহসান করে উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম, রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠিয়ে যমীনবাসীকে কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে ও মানবজাতির মধ্যে বিলাদত শরীফ দান করেছেন; সেজন্যই উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যা মাখলূকাতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী, তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, ইহসান ও রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে) উনার জন্য ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো। (তোমরা যতো কিছুই করোনা কেনো) তিনিই হচ্ছেন সমগ্র কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম নিয়ামত।” (পবিত্র সূরা ইউনুস : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতির প্রতি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ পালন করাকে ফরয করে দিয়েছেন। আর এ মুবারক নির্দেশ পালনার্থেই সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা সারাজীবন আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ , নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করেছেন।

ঈদ শব্দ উনার শাব্দিক অর্থ খুশি। আর আ’ইয়াদ হলো ঈদ শব্দ উনার বহুবচন। যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে খুশি প্রকাশ করাটা সকল খুশির চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সে কারনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ।

পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর-৬

يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً.

অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে সম্পূর্ণরূপে প্রবেশ করো। (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২০৮)

অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ প্রমান করতেছে যে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্পষ্ট ও অস্পষ্টাংশ উভয় অংশ গ্রহণ করা মুসলিম-মু’মিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।

অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:

(৩৫১-৩৫২)

وقال إمام الحرمين: الذى ذهب إليه أهل التحقيق أن منكرى القياس لايعدون من علماء الأمة وحملة الشريعة؛ لأنهم معاندون مباهتون فيما ثبت استفاضة وتواترًا، ولأن معظم الشريعة صادرة عن الاجتهاد، ولاتفى النصوص بعشر معشارها، وهؤلاء ملتحقون بالعوام.

অর্থ: হযরত ইমামুল হারামাঈন বলেন, সূক্ষ্মতত্ত্ববিদ উলামাগণ উনাদের মত এই যে, নিশ্চয়ই কিয়াস শরীফ অমান্যকারীরা উম্মাতের উলামা ও শরীয়ত বাহক হতে পারে না। কেননা, যে কিয়াস শরীফ অসংখ্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, তারা সেই কিয়াস শরীফ অমান্য ও অগ্রাহ্য করে থাকে। আরো সম্মানিত শরীয়ত উনার অধিকাংশ বিষয় কিয়াস শরীফ কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার এক দশমাংশও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফে স্পষ্টভাবে প্রাপ্ত হওয়া যায় না। সুতরাং লা মাযহাবী দল নিরক্ষর শ্রেণীভুক্ত। (তাহযীবুল আসমা ওয়াল লুগাত, ১ম অধ্যায়, হরফুদ দালিল মুহমালাহ, লেখক: আল্লামা আবূ যাকারিয়া মুহইদ্দীন বিন শারফ নুবাবী শাফিয়ী আশয়ারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৬৭৬ হিজরী, বুরহানুল মুক্বাল্লিদীন ৭০ পৃষ্ঠা, লেখক: আল্লামা মাওলানা রুহুল আমীন বশীরহাটী ফুরফুরাবী হানাফী মাতুরীদী রহমতুল্লাহি আলাইহি)

এখানে ফিকিরের বিষয় যে, যদি পবিত্র দ্বীন ইসলামে ১০ লক্ষ মাসয়ালা থাকে, তবে তন্মধ্যে ১ লক্ষ মাসয়ালা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফে স্পষ্টভাবে বর্ণিত রয়েছে, আর ৯ লক্ষ মাসয়ালা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে ইজতিহাদ করে তথা কিয়াস শরীফ করে ফায়সালা করা হয়েছে। মহাসম্মানিত ইমাম-মুজতাহিদগণ উনারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে সহজভাবে উক্ত মাসয়ালাগুলো প্রকাশ করে মুসলমানদের অশেষ উপকার সাধন করেছেন। প্রকৃত সত্যিকার মু’মিন-মুসলমান হতে গেলে এবং পরিপূর্ণ দ্বীন ইসলাম স্বীকার করতে হলে উক্ত মাসয়ালাগুলিতে চার মাযহাবের ইমাম উনাদের যে কোন একজনের মাযহাব ধরতে হবে। এছাড়া কোন পথ নেই। এছাড়াও যে একাংশের বর্ণনা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফে আছে, তা পূর্ণভাবে জানার জন্য উক্ত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের মত গ্রহণ করতে হবেই। একারণেই পরিপূর্ণ মু’মিন-মুসলমান হতে হলে মাযহাব চতুষ্ঠয়ের যে কোন এক মাযহাবের অনুসরণ করা ফরজ-ওয়াজিব হিসেবে সাব্যস্ত।

পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর-৭

يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ

অর্থ: তিনি (মহান আল্লাহ তায়ালা) যাঁকে ইচ্ছা হিকমত (বিশেষ জ্ঞান) দান করেন। আর যাঁকে হিকমত দান করা হয়েছে, তাকে অনেক কল্যাণ দান করা হয়েছে। আলিমগণ ব্যতীত কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না। (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৬৯)

অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে হিকমত তথা ইলমে ফিকাহ বা ইলমে শরীয়ত উনার কথা উল্লেখ রয়েছে। এই ইলিম যাঁদের আছে উনাদেরকেই অনুসরণ করার ইঙ্গিত এ পবিত্র আয়াত শরীফে পাওয়া যায়।

অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:

(৩৫৩)

{يُؤْتِي الحكمة مَن يَشَآءُ} يعني النبوة لمحمد عليه الصلاة والسلام ويقال تفسير القرآن ويقال إصابة القول والفعل والرأي {وَمَن يُؤْتَ الحكمة} إصابة القول والفعل والرأي {فَقَدْ أُوتِيَ} أعطي {خَيْراً كَثِيراً وَمَا يَذَّكَّرُ} يتعظ بأمثال القرآن والحكمة {إِلاَّ أُوْلُواْ الألباب} ذو العقول من الناس.

অর্থ: তিনি (মহান আল্লাহ তায়ালা) যাঁকে ইচ্ছা হিকমত বা বিশেষ জ্ঞান দান করেন। অর্থাৎ সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নুবুওওয়াত আনুষ্ঠানিকভাবে হাদিয়া করা হয়েছে। কেউ বলেন, তাফসীরুল কুরআন হাদিয়া করা হয়েছে। কারো মতে: কথা, কাজ ও ফায়সালায় যথার্থতা হাদিয়া করা হয়েছে। (আর যাঁকে হিকমত দান করা হয়েছে,) কথা, কাজ ও ফায়সালায় যথার্থতা হাদিয়া করা হয়েছে, (অর্থাৎ তিনি সমস্ত কল্যাণ দানের মালিক।) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার দৃষ্টান্ত ও হিকমতমূলক নছীহত দান করা হয়েছে। (আলিমগণ ব্যতীত কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না।) মানুষদের মধ্যে আকলমান্দরাই উপদেশ গ্রহণ করে থাকে। (তানবীরুল মাকবাস মিন তাফসীরি ইবনি আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা, ওফাত মুবারক: ৬৮ হিজরী, সূরা বাকারাহ শরীফ: ২৬৯, জমাকারী: আল্লামা মুহম্মদ বিন ইয়াকূব ফিরোযাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৮১৭ হিজরী)

(মাসিক আল বাইয়্যিনাত থেকে সংকলিত।)

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

অনুসরণীয় সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ বিশেষতঃ চিশতীয়া খান্দানের বুযুর্গ আলেমগণ নিজেরা যেরূপ সুন্নত আদায়ের লক্ষ্যে “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করেছেন, তদ্রুপ নিজ খলীফা ও মুরীদ-মু’তাক্বিদগণকেও “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করার জন্য তাকীদ করেছেন। নিম্নে তার কিছু দলীল পেশ করা হলো-

خواجہ حریق المحبت فرید الحق و الدین مسعود گنجشکر اجودھنی رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ جب اس بندہء حقیر خادم درویشاں کو دولت قدم بوسی حضرت قطب الاسلام رحمۃ اللہ علیہ کی حاصل ھوئی اپنے اسیوقت کلاہ چھار ترکی میرے سرپر رکھی-(فوائد السالکین- مجلس اول - صفہ

অর্থ: খাজা, হারীকুল মুহাব্বাত, ফরীদুল হক্ব ওয়াদ্দীন, হযরত ফরীদুদ্দীন গঞ্জে শোকর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, যখন এই অধম বান্দা ও দরবেশদের খাদেম, হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কদমবুছী করার সৌভাগ্য লাভ করে, তখন তিনি আমাকে “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি পরিয়ে দেন।” (ফাওয়ায়েদুস সালেকীন- ১ম মজলিস, পৃষ্ঠা ১০৬)

اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ خواجہ عبد اللہ سھیل تستری رحمۃ اللہ علیہ نے درباب "کلاہ چھار ترکی تحریر کیا ھے کہ اس کلاہ میں جو چار خانہ ھیں انسے یہ مراد- خانئے اول انوار واسرار ھے خانئے دوم - محبت و توکل ھے-خانئے سوم- عشق و اشتیاق ھے- خانئے چھارم- رضا و موافقت ھے- اسکے بعد ارشاد فرمایا کہ اے درویش کلاہ چھار ترکی "پھننے و الے کو لازم ھے کہ رعایت انسب امور کی کرے-(راحت المحبین- مجلس چھارم- صفہ

অর্থ: হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্ সুহাইল তস্তরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপির ব্যাপারে লিখেন যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপির” মধ্যে যে চারটি টুকরা রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রথম টুকরা নূর ও আসরার, দ্বিতীয় টুকরা- মুহব্বত ও তাওয়াক্কুল। তৃতীয় টুকরা- ইশ্ক্ব ও ইশ্তিয়াক্ব। চতুর্থ টুকরা- রেজা ও মোওয়াফেক্বত। তারপর বলেন, হে দরবেশগণ চার “টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধানকারীদের জন্য উক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। (রাহাতুল মুহিব্বীন- চতুর্থ মজলিস, পৃষ্ঠা ৩২০)

حضرت خواجہ قطب الاقطاب رحمۃ اللہ علیہ تحریر فرماتے ھیں کہ تاریخ مذکورہ بالاکو شھر بغداد کی مسجد ابو اللیث سمرقندی میں حاضر ھو کر شرف بیعت حضرت خوا جہ بزرگ سے مشرف ھوا- اپنے از روئے نوازش و کرم مجھ فقیر کو اپنے زمرہ حلقہ بگوشاں میں قبول فرما کر کلاہ چھار ترکی "عنایت فرمائی" دلیل العارفین مجلس اول صفی

অর্থ: হযরত খাজা কুতুবুল আক্বতাব বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন, উল্লিখিত তারিখে বাগদাদ শহরের আবুল লাইছের সমরকন্দী মসজিদে হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করার সৌভাগ্য হয়। তিনি দয়া করে আমাকে উনার দলভুক্ত করেন এবং “চার টুকরা বিশিষ্ট টুপি প্রদান করেন।” (দলীলুল আরেফীন- প্রথম মজলিস, পৃষ্ঠা ৪৭)

অতএব প্রমাণিত হলো যে, “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি” পরিধান করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। অর্থাৎ “চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপিই হচ্ছে, খাছ সুন্নতী টুপি।

কারো কারো বক্তব্য এই যে, টুপি একটি সাধারণ আমল, এই সাধারণ বিষয় নিয়ে এত বাড়াবাড়ী ঠিক নয়। কারণ টুপি ছাড়াও নামায হয়। অথচ টুপি সাধারণ আমল নয়। টুপি হচ্ছে দায়েমী সুন্নত। আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বা দায়েমীভাবে টুপি মাথায় দিতেন। টুপি ছাড়া নামায হয়ে যায়, এটা হলো মাজুরের মাসয়ালা। অর্থাৎ কারো নিকট টুপি না থাকলে মাজুর হিসেবে টুপি ছাড়াও নামায পড়া যায়। কিন্তু টুপি থাকা সত্ত্বেও টুপি ছাড়া নামায পড়া মাকরূহ্ তাহরীমী।

তাছাড়া টুপি সম্পর্কে ফতওয়া দেয়া আমাদের মূল মাকছুদ নয়। আমাদের মূল মাকছুদ হচ্ছে- মুসলমানদের আক্বীদা ও আমলকে বিশুদ্ধ করা। কারণ অনেকে বলে থাকে যে- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন।” অথচ তা হবে কাট্টা কুফরী। কারণ এতে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা হয়। নাঊযুবিল্লাহ! কেননা বর্তমানে বাজারে অনেক টুপিই প্রচলিত রয়েছে, যেমন- কিস্তি টুপি, জালি টুপি বা নেট টুপি ইত্যাদি। যারা বলে সব ধরণের টুপি পরিধান করাই সুন্নত, তারা কি প্রমাণ করতে পারবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ধরণের টুপি পরিধান করেছেন?

আবার অনেকে খাছ সুন্নতী টুপি কোনটি, তা না জানার কারণে বেদ্বীন-বদদ্বীন বা বিধর্মীদের টুপি পরিধান করছে। যেমন- বুরনুস, বা উঁচু টুপি ও কিস্তি বা লম্বা টুপি, অথচ বিধর্মীদের সাথে যেকোন ব্যাপারে সাদৃশ্য রাখা হারাম।

তাহলে দেখা গেল- প্রকাশিত খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়ার ফলে, সাধারণ মুসলমানরা যেরূপ কুফরী থেকে বাচঁতে পারবে তদ্রুপ বেঁচে থাকতে পারবে বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে। সাথে সাথে চার টুকরা বিশিষ্ট গোল সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী টুপির খাছ সুন্নত পালন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ!

মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ গবেষণা কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ফতওয়া সমূহ